আরে বাহ! উত্তর কোরিয়ার সামরিক মহড়া নিয়ে তো আলোচনার শেষ নেই, তাই না? যখনই খবরের কাগজ খুলি বা অনলাইন পোর্টাল দেখি, কেমন যেন একটা টানটান উত্তেজনা অনুভব করি!
প্রায়শই মনে হয়, এই দেশটি আসলে কী চাইছে? বিশেষ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি আর মহড়ার সময়কাল নিয়ে আমার মতো অনেকেই বেশ কৌতূহলী। সত্যি বলতে, আমার নিজেরও এই বিষয়ে গভীর আগ্রহ আছে, কারণ এর প্রভাব শুধু কোরীয় উপদ্বীপেই সীমাবদ্ধ থাকে না, পুরো বিশ্ব রাজনীতিতে এর একটা বড় ভূমিকা থাকে।কিম জং উন প্রায়শই তার সামরিক শক্তি বাড়ানোর কথা বলেন, আর আমরা সবাই জানি, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করতে ব্যস্ত। যেমন, সম্প্রতি তারা ঘোষণা দিয়েছে যে পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার আরও দ্রুত বাড়াবে, বিশেষ করে আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায়। মাঝে মাঝেই তারা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে, এমনকি ২০২২ সালের শুরুর দিকে ১০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। এসব মহড়ার মাধ্যমে তারা নিজেদের উদ্ভাবিত অত্যাধুনিক অস্ত্রের প্রদর্শনী করে থাকে, যা সত্যি অবাক করার মতো।শুধু তাই নয়, উত্তর কোরিয়া তাদের প্রচলিত সামরিক শক্তিকেও আধুনিকীকরণের দিকে জোর দিচ্ছে। তাদের বিশেষ বাহিনীর প্রশিক্ষণ ঘাঁটি পরিদর্শন করে কিম জং উন নিজে সৈন্যদের যুদ্ধ প্রস্তুতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এসব দেখে মনে হয়, তারা নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে, যেন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে। এর পেছনে অবশ্য আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন একটা বড় কারণ।আসুন, নিচে আমরা উত্তর কোরিয়ার এই সামরিক মহড়ার ধরণ, তাদের প্রশিক্ষণের কৌশল এবং এর পেছনে থাকা উদ্দেশ্যগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিতভাবে আলোচনা করি। নিশ্চিত থাকুন, এই বিষয়ে যা যা জানা দরকার, তার সবই এখানে সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।






